Pássaro Azul na Gaiola (Reencarnação)

Pássaro Azul na Gaiola (Reencarnação)

লেখক: Ming Chunyuan
38হাজার শব্দ Palavras
0বার দেখা হয়েছে visualizações
169পরিচ্ছেদ Capítulo

# Atualização diária, às 12h. Obrigado por apoiar a versão original. Qingque foi, no começo, a criada de leitura da senhorita e, depois, virou a criada que veio no dote dela. Após muitos anos de ca

দাস ও প্রভু

নীলপাখি জেগে উঠল।

চোখ মেলে দেখল, আশপাশে এখনও সাদামাটে দেয়াল, হলুদ মাটির মেঝে। জানালার সামনে আলো নিস্তেজ, দিনের আলোরও ঠিক ঠিকানা নেই। উত্তরের হিংস্র বাতাস কখনও ছুরি, কখনও ভারী হাতুড়ির মতো, এমন জোরে জানালার কাঠামো কাঁপিয়ে তুলছে যে, মনে হয় মুহূর্তেই ভেঙে পড়বে।

এটা নীলপাখির এখানে আসার আটাত্তরতম দিন। বৃহৎ চৌ রাজ্যের রাজধানী ইতিমধ্যে গভীর শীতের কবলে।

যদি হিসাব করা হয়, যেদিন সে কুমারীকে রাগিয়ে দিয়েছিল, যেদিন থেকে তাকে গ্রামে পাঠানো হয়েছিল—

তবে সেটা একশ সাত দিন।

এমন বয়সে, এমন অবস্থার মধ্যে থেকেও, তার মনের ভেতর এখনও সেই পরিচিত সম্বোধন—“কুমারী”।

ছয় বছর বয়স থেকে, উনত্রিশ বছর ধরে প্রতিদিনের মতো সেই “কুমারী”।

দরজা-জানালা বন্ধ করা, যদি না প্রতিদিন কেউ একবেলা খাবার দিয়ে যেত, নীলপাখি আসলেই বুঝতে পারত না, এই মুহূর্তে সময় কত। বিছানা ছেড়ে, সে পাইন কাঠের চেয়ারে চুপ করে বসে থাকে, জানালার বাইরে আলো কখনও ম্লান, কখনও উজ্জ্বল, তুষার ঝরে আবার গড়িয়ে যায়, সে শীতকেও উপেক্ষা করে, ক্ষুধাকেও।

পায়ের ধারে কয়লার আগুন লাল হয়ে নিভে আসছে, তাপ সে পায় না।

এ ঘরে তার নিজের হাতে কয়লা বা কাঠ দেওয়ার কোনো উপায় নেই।

দরজা খুলল।

এসেছে সেই চেনা তিনজন গৃহকর্মিণী। একজন খাবারের বাক্স ধরে, একজন জল, একজন কয়লা।

নীলপাখির দৃষ্টি থেমে যায় পানির বালতিতে।

জল গরম, অন্তত উষ্ণ তো বটেই, ধোঁয়া উঠছে।

কতদিন সে এমন গরম জল দেখেনি? নীলপাখি গুনে উঠতে পারে না। সে অভ্যস্ত ঠান্ডা জল গিলতে, যা কিছুতেই গরম হয় না, বরং দাঁতে ঠান্ডা লাগায়।

ঠান্ডা জল তো, এতে কেউ মরে যায় না।

একজন অবহেলিত দাসী, যার জন্মই দাসীর, মৃত্যুও মালিকের ইচ্ছায়, যার সন্তান আছে, তবু কোনো ভিত্তি নেই, কোনো হুমকিও নয়, তাকে এই গ্রামে বন্দি রাখা হয়েছে—তাকে কি ভয় পাবে কেউ? বঞ্চিত করা তো স্বাভ

📚 আপনার জন্য আরও কিছু

সম্পর্কিত তালিকা